1. khaircox10@gmail.com : admin :
রামুর টমটম চালক সাইফুলের মৃত্যু নিয়ে রহস্য - coxsbazartimes24.com
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
উত্তর ধূরুং ইউপি নির্বাচন: বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতাদের অবস্থান! পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর সাথে টুয়াক নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা কমিটি অনুমোদন কক্সবাজার চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রী’র উদ্যোগে উপজেলা পর্যায়ে উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বোধন মেয়র মুজিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন টুয়াক নেতৃবৃন্দ ডিসি, এসপি ও পৌর মেয়রের সঙ্গে সাক্ষাত করলেন টুয়াকের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ টুয়াকের সভাপতি আনোয়ার, সম্পাদক টিটু নির্বাচনের ইশতেহারে যা বললেন টুয়াকের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী টিটু ইউএসএআইডি এর অর্থায়নে ও রিলিফ ইন্টারন্যাশনাল এর উদ্যোগে “কোভিড-১৯ প্যানডেমিক ‍সিচুয়েশন অব কক্সবাজার” শীর্ষক ওয়েবিনার দুদক কর্মকর্তার বদলি চ্যালেঞ্জ করা রিটকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

Ads

রামুর টমটম চালক সাইফুলের মৃত্যু নিয়ে রহস্য

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৯৮ বার ভিউ

কক্সবাজার টাইমস২৪#
রামু খুনিয়াপালং দারিয়ারদীঘি এলাকার টমটম চালক সাইফুল ইসলামের মৃত্যুর ৫ দিনেও রহস্য উদঘাটন হয় নি। হাসপাতাল থেকেও পাওয়া যায়নি তদন্ত প্রতিবেদন। দিন যত যাচ্ছে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তত কথা শুনা যাচ্ছে। গড়াচ্ছে পক্ষে বিপক্ষে নানা ঢালপালা। কেউ বলছে, চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদের মারধরের কারণে সাইফুলের মৃত্যু হয়েছে।
আবার অনেকে বলছে, প্রথম স্ত্রী আয়েশা বেগম পরিষদে বিচার দেয়ার অপমানে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে টমটম চালক সাইফুল। এখন সব নির্ভর এখন ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর।
ময়নাতদন্ত রিপোর্ট কখন পাওয়া যেতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোহাম্মদ শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী জানান, কক্সবাজার থেকে স্যাম্পল চট্টগ্রাম পাঠানো হয়। সব প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্ত রিপোর্ট পেতে অনুমান ২ মাস লেগে যেতে পারে।
জানা গেছে, দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগে সাইফুলের বিরুদ্ধে পরিষদের বিচার দেন প্রথম স্ত্রী আয়েশা বেগম। স্ত্রীর এই বিচারের পর গত ৫ অক্টোবর দুপুরে স্বামী সাইফুল ইসলামকে পরিষদে ডাকেন চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ। ৭ দিনের মধ্যে এক স্ত্রীকে তালাক দেয়ার সময় বেঁধে দেন চেয়ারম্যান। এ সময় পরিষদের একটি কক্ষে ঢুকিয়ে সাইফুল ইসলামকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তার ভাই আইফুল ইসলাম। একই দিন রাত ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সদর হাসপাতালে মারা যান সাইফুল ইসলাম। তার আগে বিকাল তিনটার দিকে সাইফুল নিজ বাড়িতে বিষপান করেন বলেও একটি সুত্রে জানা গেছে।
তবে, মারধরের কথা শুরু থেকেই সম্পূর্ণ অস্বীকার করে আসছিলেন চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ।
তার দাবী, মারধর তো দূরের কথা, তিনি সাইফুল ইসলামকে স্পর্শও করেন নি। স্ত্রীর সাথে ঝগড়া দিয়ে বাড়িতেই বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন।
সাইফুল ইসলাম উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের পাতাবাড়ি এলাকার মৃত জাগের হোছনের ছেলে।
তবে স্থানীয় অনেক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, আবদুল মাবুদ নিজেই সাইফুলকে ব্যাপক মারধর করেছেন। তার সারা শরীর অসংখ্য আঘাতের চিহ্নই মারধরের প্রমান। চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের নেতা ও প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খোলতে সাহস করছে না।
নিরপেক্ষ তদন্ত করলে ঘটনার আসল রহস্য বের হবে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে রামু থানার পরির্শক (সেকেন্ড অফিসার) মো. কামরুল ইসলাম জানান, এ ধরণের ঘটনার বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ দেয় নি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খবরটি সবার মাঝে শেয়ার করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2020 coxsbazartimes24
Theme Customized By CoxsMultimedia