1. khaircox10@gmail.com : admin :
ওয়ান ইলেভেন ট্রাজেডি ও পাথরের কান্না ! - coxsbazartimes24.com
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাকমারকুলে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে ভাড়াটে সন্ত্রাসী, অভিযোগ দিলেন নৌকার প্রার্থী দক্ষিণ মিঠাছড়ি প্রবাসী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত জহিরুল ইসলাম সিকদারের মৃত্যুতে কক্সবাজার-টেকনাফ-চকরিয়া-চট্টগ্রাম বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির শোক জহির ও কুদরতের উপর গুলিবর্ষণের ঘটনাটি তৃতীয় পক্ষ করেছে ঝিলংজায় নৌকার প্রার্থী ও পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকের ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ বন্ধ করতে হবে কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ সমবায়ী পুরস্কার পেলেন আবুল কাসেম সিকদার পৌর শ্রমিক লীগের আহবায়ক রানার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা সীমান্তের মাদক কারবারীদের ‘বেহিসাব’ সম্পদ, গড়ছে নতুন সিন্ডিকেট দেশের লবণ সহিষ্ণু জমিতে সবজি উৎপাদনে আসবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি

Ads

ওয়ান ইলেভেন ট্রাজেডি ও পাথরের কান্না !

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭৩ বার ভিউ

কেরামত আলী (ছদ্দ নাম):
ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সময়ের কথা৷ কি করে যেন সব উঁচু-নীচু একদম এক সমান হয়ে গিয়েছিল। কারন, সেনাবাহিনী অপারেশনে ছিল মাঠে ঘাটে। হঠাৎ বদলে যাওয়া প্রেক্ষাপটে নেতা কেথা সব ভয়ে “থরথরি কম্প” অবস্হা ! পিটুনি ও বুটের দাবড়ানিতে তখন বাঘ গরু একঘাটে পানি খায় !
তখন সদ্য ক্ষমতা হারানো বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের একজন এমপি’র ছিল প্রবল “পাথর প্রীতি”।
এমপি থাকাকালীন তেনার প্রবল একটা খায়েশ ছিল। তা হল, যে কোন প্রকল্পের কাজ শুরু না হতেই তিনি সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে খোদাই পাথর (নামফলক) স্হাপন করে ফেলতেন। এর কয়েকদিন আগে থেকেই মাইকে কানফাটানো প্রচারনায় চ্যালা-চামচারা ব্যস্ত থাকত, আর জনগনের কান ঝালাপালা হয়ে যেত।
এরপর মহা সামারোহে জনসভা করে গলাফাটানো বক্তৃতা দিয়ে “অচিনপুর সড়ক সংস্কার কাজ উদ্ধোধন করলেন ……….এমপি সাহেব” শীর্ষক খোদাই করা পাথর (ভিত্তিপ্রস্তর) স্হাপন করা হত। পাথরতো লাগানো হত, কিন্তু কাজের কোন হদিস থাকতনা
তো আমাদের এলাকায় এরকম কয়েক ডজন পাথর স্হাপন করে ফেলেছিলেন তিনি।
“কাজ না হোক পাথরতো হয়েছে” নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন এমপি সাহেব ! এভাবে পাথর আর পাথরে সয়লাব হয়েছিল এলাকা।
কিন্তু বিপত্তি বাঁধল অন্য জায়গায়। এর কিছুদিন পর ওয়ান ইলেভেন’র ডামাডোলে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হল। রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করল ফখরুদ্দীন-জেনারেল মঈনের মাথা গরম তত্ত্বা সরকার। চারদিকের অবস্হা ভয়াবহ। সেনাবাহিনী মাঠে, পাইকারী হারে চলছে দাবড়ানি।
নেতা,পাতিনেতা সবাই ভয়ে পগারপার। এদিকে এম পি সাহেবের নামসহ প্রকল্পের “পাথর আছে, কিন্তু কোন প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নাই” !!
ম্যালা মুশকিলতো !
নামকা ওয়াস্তের পাথর কখন যে সেনাবাহিনীর চোখে পড়ে, আর (গোঁজামিলের) প্রকল্প গুলোর হাঁড়ির খবর নেয়া শুরু করে, মহা মুশকিল !
পরে অবশ্য মুশকিল আসান হয়েছিল।
কিন্তু কিভাবে?
এক সুন্দর সকালে সবাই দেখল, হঠাৎ পাথর গুলো হাওয়া হয়ে গেছে ! 🤧 😁
নিন্দুকেরা অবশ্য বলেছিল, এমপি সাহেবের নির্দেশে নাকি ইতিপূর্বের পাথর বসানো কংক্রিট স্তম্ভগুলোর মাথা থেকে রাতের আঁধারে ও সঙ্গোপনে বর্গাকার সুদৃশ্য পাথর (নাম ফলক) খুলে নিয়েছিল চামচারা।
(যদিও নিন্দুকদের কথায় কান দিতে নেই)।
সেই থেকে এ রকম ন্যাড়া মাথায় রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজছে পাথর বিহীন কংক্রিট স্তম্ভগুলো।
এটা রিয়েলি এক ট্র্যাজেডি।
এখনো গ্রামের বাড়ী গেলে বিভিন্ন স্হানে যেন এই পাথরগুলোর অদৃশ্য কান্না শুনতে পাই।
আর কোন পাথরের জীবনে যেন এরকম ট্র্যাজেডি ও কান্না না আসে।
( পাদটীকা – ব্যাকরন বইয়ে বাগধারায় পড়েছিলাম কলাগাছ নাকি “কাক বন্ধ্যা”, অর্থাৎ কলাগাছে একবারই ফল আসে। সেই ২০০১ সালে কেমন করে যেন একবারই ফল এসেছিল আলোচিত সেই কলাগাছে। অনেক চেষ্টা ও হা হতোম্মির পরেও সেই কলাগাছে আর ফল আসেনি। যার স্বাক্ষী কক্সবাজার -৩ (সদর রামু) আসনের জনগন।)

খবরটি সবার মাঝে শেয়ার করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2020 coxsbazartimes24
Theme Customized By CoxsMultimedia