1. khaircox10@gmail.com : admin :
সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন বসুন্ধরার আনভীর - coxsbazartimes24.com
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লায়ন্স ক্লাব অব কক্সবাজার ফ্রিডমের সভা টেকনাফ বিএনপির সম্মেলনে স্লোগান নিয়ে কেন বিরূপ প্রতিক্রিয়া? সুশাসনের সুবিধার্থে প্রয়োজন এনজিও অংশীদার নির্বাচনে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া সম্মেলন ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য, জনবান্ধব নেতৃত্ব চায় টেকনাফ বিএনপি লায়ন্স ক্লাব অব কক্সবাজার ফ্রীডমকে বিশেষ সম্মাননা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প ধ্বংস করতে একটি শক্তিশালী চক্র লেগে আছে জলবায়ু অর্থায়নে জাতীয় বাজেটে জিডিপির দুই শতাংশ অর্থ বরাদ্দ চায় নাগরিক সমাজ রোহিঙ্গা সাড়াদান কার্যক্রমে যুব অংশগ্রহণ আরো বৃদ্ধি করা জরুরী টুয়াকের নামে মিথ্যা বিবৃতি, যা বললেন নেতৃবৃন্দ টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

Ads

সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন বসুন্ধরার আনভীর

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১
  • ১৪৮ বার ভিউ

কক্সবাজার টাইমস২৪ ডেস্ক:
কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত নথি পর্যালোচনা করে এ আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত ১৯ জুলাই এ মামলায় আনভীরকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে গুলশান থানা পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার ওই প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেন মামলার বাদী ও মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া।

এ বছরের ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার লাশ উদ্ধারের পর দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয় দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে। মামলায় তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়।

ঘটনার দিন রাতেই মুনিয়ার বোন নুসরাত বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয়ের পর ২০১৯ সালে আনভীর মুনিয়াকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বনানীতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনভীরের পরিবার মুনিয়ার সাথে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা জানতে পারে। তখন আমার বোনকে (মুনিয়াকে) আনভীরের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য হুমকি দেন তার মা।

এ ঘটনার পর আনভীর মুনিয়াকে কৌশলে কুমিল্লায় পাঠিয়ে দেন এবং পরে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন। গত মাসের (মার্চ) ১ তারিখে গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার বি/৩ ফ্যাটটি ভাড়া নেন আনভীর। ১ মার্চ থেকে মুনিয়া সেই ফ্ল্যাটেই ছিলেন এবং আনভীর মাঝে মাঝে ওই ফ্ল্যাটে আসা যাওয়া করতেন।

গত ২৩ এপ্রিল ফ্ল্যাট মালিকের বাসায় ইফতার পার্টিতে গিয়ে মুনিয়া ছবি তোলেন। ফ্ল্যাট মালিকের স্ত্রী ফেসবুকে সেই ছবি পোস্ট করলে সেটি আনভীরের পরিবারের একজন দেখে ফেলেন এবং আনভীরকে জানান। বিষয়টি নিয়ে আনভীর মুনিয়াকে বকাঝকা করেন এবং হুমকি দেন। ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে মুনিয়া তার মোবাইল নম্বর থেকে বড় বোন নুসরাতকে ফোন করে কান্নাকাটি শুরু করেন।

তিনি বলেন, আনভীর আমাকে বিয়ে করবে না, সে শুধু আমাকে ভোগ করেছে। এছাড়া আমাকে সে ‘মনে রাখিস তোকে আমি ছাড়ব না’ বলে হুমকি দিয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, মুনিয়া নুসরাতকে ফোনে চিৎকার করে বলেন, ‘যেকোনো সময় আমার বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তোমরা তাড়াতাড়ি ঢাকায় আসো।’

মোসারাত জাহান মুনিয়া মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। বাড়ির মালিক, মালিকের মেয়ের জামাইসহ বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলা সংক্রান্ত বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন তারা। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ।

মুনিয়া যে ফ্ল্যাটটিতে থাকতেন সেই ভবনের বেশকিছু সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সেসব সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওই ফ্ল্যাটে সায়েম সোবহান আনভীরের যাতায়াতের প্রমাণ পায় তারা। তবে ঘটনার দিন বা এর আগের দিন মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আনভীরের যাতায়াতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজে এই দুই দিন সন্দেহজনক কারো যাতায়াত ওই বাড়ি কিংবা ফ্ল্যাটের আশপাশে পাওয়া যায়নি।

খবরটি সবার মাঝে শেয়ার করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2020 coxsbazartimes24
Theme Customized By CoxsTech